রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে রাশিয়ার সহযোগিতা চাইলেন

 আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আপডেট: ২০২১-০৯-১২ , ০৮:৩২ পিএম

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে রাশিয়ার সহযোগিতা চাইলেন ছবি: ইন্টারনেট

রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) রাশিয়ার নবাগত রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার ভিকেনতেভিচ মান্তিতস্কি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতকালে এ আহবান জানান। এসময় তিনি রাশিয়ার নবাগত রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশে স্বাগত জানান মন্ত্রী।

রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বিশেষ সম্পর্কের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে এবং যুদ্ধপরবর্তী দেশ গঠনে রাশিয়ার অবদান বাংলাদেশ কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করে।

স্বাধীনতার পরপরই তৎকালীন সোভিয়েত রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণে ১৯৭২ সালের মার্চ মাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাশিয়া সফর করেন বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সাহায্যের জন্য রাশিয়ার সরকার এবং জনগণকে কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

এসময় বাংলাদেশ-রাশিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপনে রাশিয়ার আগ্রহের কথা রাশিয়ার নবাগত রাষ্ট্রদূত পুনঃব্যক্ত করলে উভয় দেশই অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে পারে বলে মত প্রকাশ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

২০২৩ সালে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিত থাকার আশা ব্যক্ত করেন ড. মোমেন।

প্রসঙ্গত: মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নির্যাতনের মুখে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে প্রাণভয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয় প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী।

এতে আগে থেকে কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাসহ মোট শরণার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ১১ লাখের বেশি, জেলার কুতুপালং পরিণত হয় বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবিরে।

রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর এই নির্যাতনকে তখন জাতিগত নিধনের ধ্রুপদী উদাহরণ হিসাবে বর্ণনা করেছিল জাতিসংঘ। বিশ্বব্যাপী প্রতিবাদের ঝড় ওঠার মধ্যে অনেকে একে জেনোসাইড হিসেবে অভিহিত করেছিলেন।