হলুদ তরমুজ ল্যানফাই চাষে সাফল্য

 নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট: ২০২১-০৮-০২ , ০৯:০৯ এএম

হলুদ তরমুজ ল্যানফাই চাষে সাফল্য ছবি: সিটিজেন নিউজ

পরীক্ষামূলকভাবে এক জমিতে তিন জাতের হাইব্রিড তরমুজ চাষ করে এলাকায় সাড়া জাগিয়েছেন মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের পাত্রখোলা এলাকার কৃষক আব্দুল মতিন। তবে, বেশি ফলন হয়েছে ল্যানফাই জাত বা হলুদ রঙের তরমুজ।

সুমিষ্ট, এই তরমুজের ভালো ফলন দেখে উৎসাহী হচ্ছেন অন্যরাও। অন্যান্য উপজেলাতেও এই জাতগুলো ছড়িয়ে দেয়ার কথা জানায় কৃষি বিভাগ।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর এলাকার আব্দুল মতিন, পেশায় একজন কৃষক। দুই বিঘা জমি লিজ নিয়ে গড়ে তুলেছেন বিশাল কৃষি খামার। ব্ল্যাকবেরি, মধুমালা ও লালতীর ল্যানফাই জাতের হলুদ তরমুজ চাষ করে সাড়া তুলেছেন জেলায়।

এ তিন জাতের মধ্যে লালতীর এর হাইব্রিড ল্যানফাই বা হলুদ রঙের জাতটি বেশি ফলন হয়েছে। প্রতিটি ফলের ওজন ৩ থেকে ৪ কেজি। জাতটি চাষ করতে প্রতি শতকে বীজের পরিমাণ লাগে মাত্র এক গ্রাম। প্রতি একরে ফলন হয় ৩০ থেকে ৩৫ টন। আকারের পাশাপাশি স্বাদেও অসাধারণ। মাত্র ৪০ হাজার টাকা খরচ করে হলুদ তরমুজ বিক্রি করে লাখপতি আবদুল মতিন।

তরমুজ চাষ করে নিজে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি অনেক বেকারের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছেন। তার সফলতা দেখে তরমুজ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন আশপাশের কৃষকরা। জেলার অন্য উপজেলাতে তরমুজের এই জাতগুলো ছড়িয়ে দেয়ার কথা জানায় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

উচ্চ ফলনশীল এই হাইব্রিড জাতের তরমুজ সারা বছর চাষ করা যায়। ভাল দাম পেলে তরমুজ চাষে দিন দিন আগ্রহ বাড়বে বলে আশা কৃষি বিভাগের।