শেষ মুহূর্তে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি বাবুল

 আদালত প্রতিবেদক
আপডেট: ২০২১-০৫-১৭ , ০৭:২৯ পিএম

শেষ মুহূর্তে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি বাবুল

চট্টগ্রামে চাঞ্চল্যকর মিতু হত্যা মামলায় রিমান্ড শেষে স্বামী ও সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। সোমবার (১৭ই মে) দুপুরে পাঁচদিনের রিমান্ড শেষে বাবুল আক্তারকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার জাহানের খাসকামরায় হাজির করে পিবিআই।

বিচারকের খাসকামড়ায় নেয়া হলেও শেষ মুহূর্তে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি বাবুল। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জের ধরে মিতুকে হত্যার অভিযোগে বাবুল আক্তারের বিরুদ্ধে গেল ১২ই মে চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন। এরপর মিতুর বাবার করা মামলার পরই পিবিআই এর হেফাজতে থাকা সাবেক এসপি বাবুল আক্তার গ্রেফতার দেখানো হয়। এরপর ওইদিনই বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

এর আগে, গতকাল পিবিআই প্রধান বনোজ কুমার মজুমদার জানান, ৫ দিনের রিমান্ডের চতুর্থতম দিনেও বাবুল আক্তার তেমন কোনও সহযোগিতা করেননি।

এদিকে, মিতু হত্যাকাণ্ডে মামলার বাদী সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার নিজেই এখন শ্বশুরের দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি।

২০১৬ সালের ৫ জুন চট্টগ্রামের জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয় মাহমুদা আক্তার মিতুকে। এ ঘটনায় পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন মিতুর স্বামী পুলিশের সাবেক এসপি বাবুল আক্তার। পরে মামলটি গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

২০১৬ সালে বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে গোয়েন্দা পুলিশ। ওই বছরের ৬ই সেপ্টেম্বর তাকে পুলিশ সুপারের পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এরপর ২০২০ সালে আদালতের নির্দেশে মামলার তদন্ত ভার পায় পিবিআই। এরপর, গেল ১০ই মে বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পিবিআই কার্যালয়ে নেয়া হয়।